সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উপকূলরেখার গতিশীলতা এবং ভাঙন রূপ:
বহু-কালিক স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে একটি ভূস্থানিক বিশ্লেষণ
DOI:
https://doi.org/10.59185/juvps.v43i02.272Keywords:
উপকূলরেখার গতিশীলতা, ডিজিটাল উপকূলরেখা বিশ্লেষণ পদ্ধতি, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, রিমোট সেন্সিং, ভূস্থানিক বিশ্লেষণAbstract
এই গবেষণায় ১৯৯৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উপকূলরেখার পরিবর্তন মূল্যায়ন করা হয়েছে, যেখানে বহুকালিক স্যাটেলাইট চিত্র ও Digital Shoreline Analysis System (DSAS)/ ডিজিটাল উপকূলরেখা বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে ক্ষয় ও সঞ্চয়ের ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফল দেখায় যে, দ্বীপটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঝড়ের জলোচ্ছ্বাস এবং মানবিক কার্যক্রমের কারণে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অধিকাংশ এলাকায় ক্ষয় প্রবল, বিশেষ করে পশ্চিম পাড়া, উত্তর পাড়া এবং গলাচিপায় তটরেখার পিছু হটার হার সর্বোচ্চ, যেখানে পূর্ব পাড়া ও মাঝের পাড়া তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। নীট তটরেখার পরিবর্তন (NSM) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, উপকূলরেখার গড় পরিবর্তনের হার ছিল -২০.৬২ মিটার, যা দ্বীপের ব্যাপক ভূমি ক্ষয় নির্দেশ করে। তটরেখার পরিবর্তনে স্থানভেদে পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে, যা উপকূল ব্যবস্থাপনার জন্য অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। ভূ-উপগ্রহ চিত্র ও ভূস্থানিক বিশ্লেষণ উপকূলীয় পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য অত্যন্ত কার্যকর, যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। ক্ষয় রোধে টেকসই ব্যবস্থা যেমন ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার ও উপকূল সুরক্ষা কাঠামো গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। গবেষণাটি নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে, যা উপকূল সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক হবে।